চিঠি ও আমাদের গল্পটা ……

foring974 গল্প, প্রেম

যে নামে তোমাকে অনুভব করি তার কোন একক শব্দ খুঁজে পেলাম না , তাই বাধ্য হয়েই সম্বোধন এর যায়গাটা খালি রেখে দিলাম, মনে মনে যা ইচ্ছে বসিয়ে নিতে পার …।।

কেমন আছ, কেমন ছিলে এসব প্রশ্ন যে আমাকে আন্দলিত করে না তা নয়, কিন্তু এর উত্তর আজ অপ্রয়োজনীয় । তাই কৌতূহলের লাগাম টেনে নিলাম শক্তকরে। বেশ কদিন থেকেই ভাবছি তোমাকে লিখব । শেষ বোধ হয় মার্চের ১৯ তারিখ লিখেছিলাম। তুমি জানো,  দিন তারিখ আমার ঠিক মনে থাকে না, কিন্তু ঐ তারিখটা বেশ মনে আছে। অবশ্য না থাকার কোন কারন নেই, তোমার হৃদিতার জন্মদিন ছিল সে দিন। ‘তোমার হৃদিতা’ বলেছি দেখে মুচকি হেসো না বুঝলে, আমি কিন্তু এখনো ঈর্ষা করি ওকে। প্রথম যেদিন দেখিয়ে বলেছিলে, ঐ যে লম্বা চুলের পশ্মিনা শাড়ি পড়া মেয়েটা দেখছ , ও আমার প্রথম না বলা প্রেম, আমার হৃদিতা। আমার শব্দটা যে তোমার মুখ ফোঁসকে বেড়িয়েছে, সেটা বুঝেছিলাম যখন তুমি কথা ঘুরিয়ে জিগ্যেস করলে, বাদাম খাবে ? চল টিএসসির মোড়ে যাই। সেদিন কিছু বলিনি , তোমাকে সাময়িক বিব্রত হওয়া থেকে রক্ষা করেছিলাম, বাকি জীবন জ্বালাব বলে।……

একটু অপেক্ষা কর, চায়ের পানি চরিয়েছি । তোমাকে লিখতে গেলেই কেন যেন চায়ের তেষ্টা পায়। চা নিয়ে কখনো আমার আদিখ্যেতা ছিল না , ইদানীং হচ্ছে। হয়ত বয়স বাড়ছে, বুড়িয়ে যাচ্ছি কিংবা সিগারেট এর বাজে অভ্যাসটা ছাড়তে চাইছি বলে হয়ত চা-টা কে আঁকড়ে ধরতে চাইছি , কি জানি হয়ত এর কোনটাই নয় । আচ্ছা এসব বিশ্লেষণ এর বিরতি নেই আপাতত ।

পাঁচ মিনিট দাও , আমি চা-টা নিয়েই আবার লিখছি তোমাকে।

হ্যাঁ , ফিরলাম । গুনেগুনে ঠিক পাঁচ মিনিট-ই নিয়েছি। কেমন যেন টিভি নাটকের কমার্শিয়াল ব্রেক এর মত হয়ে গেল ব্যাপারটা,  কিংবা জ্বালাময়ী কোন টকশোর মাঝে একটু খানি স্বস্তি।

তুমি নিশ্চই হাসছো । আমার কব্য করা নিয়ে তোমার খোঁচা তো আর কম খাইনি। বন্ধু মহলে ঠাট্টা না করলেও , আড়ালে কত নামে যে ডাকতে আমায়। তাতে আমার বয়েই গেছে, আমি তো বদলাই নি একদম।

জানো ইদানীং আমার হ্যালুসিনেশন হচ্ছে। প্রবীর কে দেখলাম গতকাল। মনে হল ও ঠিক ঠিক আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। পরক্ষনেই মনে হল এ কিরে হয় !  প্রবীর এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতেও তো তুমি আমি এক সাথে গেলাম। বাসায় ফিরে আমার আর সহ্য হয়নি, আধ বোতল ভদকা পুরোটাই ঢকঢক করে গিলেছি। এমনিতে মদ খেলে তুমি বকতে, সেদিন কিছুই বলনি। সকালে উঠে দেখি তুমি নেই। জানো , সে রাতে প্রবীর কে স্বপ্ন দেখেছিলাম। বন্ধু বলতে ঐ-ই ছিল। যদিও ও তোমাকে পছন্দ করত না । বলত, এই পোলা একদিন ভাগবে । এমনিতেই তোর থেকে বয়সে ছোট তার উপড়ে ভার্সিটির বহু কচি কচি মেয়ের সাথে তার পুরাতন লটর-পটর ছিল। বেশি আস্কারা দিস না। হুদাই কষ্ট পাবি ।

কি অশ্লীল!  ঠাট্টা ছিল সেগুলো। কতবার ওকে এসব নিয়ে বকেছি , রাগ করে আড্ডা ছেড়েছি কিন্তু কৈশোরের বন্ধুত্বটা ছাড়তে পারিনি। সম্পর্ক আঁকড়ে ধরায় আমার যে জুরি মেলা ভার, সে তো তুমি-ই বলতে। প্রবীরটা চলে যাবার পরে তুমি-ই আমাকে সামলে ছিলে। সেই রাতগুলো পুরোটা সময় আমি কাঁদতাম আর তুমি ছোট বাচ্চাদের মত আমাকে জড়িয়ে রাখতে।

আচ্ছা দরজার এক্ট্রা চাবিটা কি এখনো আছে তোমার কাছে ? কত ঝগড়া করেই নিয়েছিলে ওটা। বলেছিলে, কবে না কবে, মাতাল হয়ে পরে থাকব, একটা চাবি থাকলে অন্তত আমাকে বাঁচাতে পারবে। কিন্তু সত্যি-ই কি বাঁচাতে চেয়েছ ? অনেক অনেক কিছু বদলেছে কিন্তু এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার সাহসটা এখনো করে উঠতে পারিনি। তুমি যে আমাকে সাহসী বলতে, মিথ্যে বলতে। আমি সাহসী না, অন্তত যে দিন থেকে বারন্দার দুটো চেয়ারের একটা তে ধুলো জমেছে সেদিন থেকে সাহসের পরতে পরতেও ধুলোর আস্তরণ জমেছে। আয়নায় নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে আজকাল রূপকথার সেই রাজকন্যার কথা মনে হয়, সোনার কাঠি রুপোর কাঠি দুটো বদলে দেবার সেই রাজপুত্রের জন্য বড্ড হাহাকার থাকে সেখানে।

গতকাল আম্মা এসেছিল বাসায়। সমস্ত ঘর সাজিয়ে, গুছিয়ে, দিয়ে গেছে। অনেক প্রশ্ন ছিল তার চোখে কিন্তু আমার অবস্থা দেখে সম্ভবত সাহস করেনি। আম্মার সামনে যথেষ্ট স্বাভাবিক ছিলাম। পরশু দিনের কেনা গাঁজরগুলো দিয়ে হালুয়া করলাম, চা বানালাম, মা মেয়ে এক সাথে গল্পও করলাম কিন্তু কোথায় যেন একটা গুমোট ভুত ঘুরে বেড়াচ্ছিল দুজনার মাঝে। আম্মা তীক্ষ্ণ চোখে আমাকে দেখছিল। এক বার তো মৃদু স্বরে তোমার কথা জানতেও চাইল। আমি আনমনা হবার ভান করেছিলাম বলে আর কিছু জিগ্যেস করেনি। আমার এখনো মনে হয় , একমাত্র আম্মা-ই ছিল যে তোমাকে খানিকটা পছন্দ করত। অবশ্য অনেক সাধ্য সাধনার পরেও যখন বিয়ে না করার পণে অটল ছিলাম, তখন তোমাকে পেয়ে হালে খানিকটা পানি পেয়েছিল বোধহয়, সেই কারণেও তোমাকে হয়ত মেনে নিয়েছিল। বেচারির জন্য মায়াই লাগে। সারা জীবন প্রচণ্ড রুক্ষ স্বামীর সংসার সামলে, এখন মেয়ের যন্ত্রণা সামলাচ্ছে। অবশ্য আমি বোধ হয় আম্মাকে সব চেয়ে কম যন্ত্রণা দিয়েছি। বাড়ি ছেড়েছি আজ সাত বছর। একা একা হোঁচট খেয়ে শিখেছি বলে আম্মার কষ্টটা সব চেয়ে বেশি আমি-ই বুঝেছি। এই কারনেই আমাদের সম্পর্কটা মা মেয়ের চেয়ে দুটো অসম বয়সী নারীর বন্ধুত্ব বলাই যৌক্তিক।

তোমাকে যখন প্রথমবার দেখে, তখন কি বলেছিল তোমার মনে আছে ? বলেছিল, তুমি বুঝি অনিকের বন্ধু । আমি খুব হেসেছিলাম সেদিন । আম্মা তোমাকে আমার ছোট ভাই এর বন্ধু ভেবে ভুল করেছিল। আর সেই আম্মাই তোমাকে আমার জন্য গ্রহণ করে নিয়েছিল । কি অদ্ভুত তাই না ?

তোমার মনে আছে, আমাদের প্রথম দেখা?

সৌভিক এর সাথে প্রথম তুমি বাসায় এসেছিলে। তোমার পরনে ছিল সাদা শার্ট আর ব্লু জিন্স। চশমাটা বাম পকেটে ঝোলানো। প্রথম দেখায় আমার কি মনে হয়েছিল জান ? মনে হয়েছিল হুমায়ুন আহাম্মেদের গল্পের নায়ক শুভ্র বুঝি ভুল করে আমার বাসায় ঢুকে পরেছে! শুধু পার্থক্য হল তোমার চোখ দুটো ভয়ানক চঞ্চল। আমি সারাটা সময় চোরা চোখে তোমাকেই দেখেছি। অথচ সৌভিক আমার ছোট ভাই এর বন্ধু! সেই হিসেবে তুমিও আমার ছোট ভাই হবার-ই কথা ছিল। কিন্তু অবাধ্য মন নিয়ম ভেঙে তোমাকে চাইল, তাই আমাকে আপা ডাকটা তোমার হয়ে ওঠে নি । তুমি আমাকে নাম ধরেই ডাকলে। মাত্র তিন মাসে প্রেমে পরেছিলাম আমরা। অবশ্য ওটাকে এক তরফা প্রেম-ই বলতে পার। তোমার হৃদিতার রূপের কাছে আমার আইবুড়ো রূপ টিকবে কিনা সেটা নিয়ে বহু সময় বিব্রত ছিলাম। কিন্তু আমার সমস্ত শঙ্কা মিথ্যে করে, নিজেই যে দিন আমার হাত ধরলে, থুতনি ছুঁয়ে চোখে চোখ রাখলে সেদিন তোমাকে পুরুষ মনে হয়েছিল আর নিজেকে মুখচোরা হরিণী। আমার চোখের ভাষায় তুমি নিজেকে পড়ে ফেলেছিলে। শত চেষ্টা করেও সমর্পণের ইচ্ছাটুকু রুখতে পারনিনি সেদিন। অবশেষে আমি তোমার হলাম ।

লোকলজ্জার ভয় ছিল না আমাদের। নিন্দুকের মুখে চাই দিয়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছি টিএসসি, ছবির হাট, পলাশী, নিউমার্কেট চত্বর। পেছনে তোমার বন্ধুরা নিশ্চই এসব নিয়ে ভয়ানক সব রসিকতা করত। তুমি আমাকে না বললেও অনুমান করতে পারতাম , সেসব নিশ্চয়ই সবিতা ভাবি টাইপ রসিকতা। তবুও গায়ে লাগেনি কখনো । তোমাতে আমাতে আমরা এতটা ডুবে ছিলাম যে কোন কিছুই আমাদের স্পর্শ করত না।

তোমার মনে আছে সেবার বাড়ি ওয়ালা তোমাকে ইঙ্গিত করে আমাকে কতকথা শুনিয়ে গেল? একটা আধবুড়ি মেয়ে একটা বাচ্চা ছেলে কে সিডিউস করছে টাইপ ইঙ্গিতও করল ! জানো ,খুব হাসি পাচ্ছিল লোকটার বলার ধরণ দেখে। প্রেম এদের কাছে অশ্লীল অথচ রাস্তায় মূত্র বিসর্জন বেশ স্বাভাবিক!

পরের মাসে নোটিশ দিয়ে বাসা ছেড়ে দিলাম। এই বাসাটা তুমি-ই খুঁজে দিয়েছিলে। দক্ষিণের বারান্দা, তার উপড়ে সামনের প্লটটা খালি বলে একচিলতে আকাশ দেখার লোভনীয় সুযোগ করে দেবার জন্য তোমার প্রতি আমার বাড়তি কৃতজ্ঞতা ছিল, সেটা বোধ হয় তোমাকে বলা হয়নি। সব কথা বলতে কেন হবে তোমাকে ! তুমি বুঝে নেবে ধরেই নিয়েছি, না বুঝলে কিসের প্রেম তোমার আমার !

অনেকদিন পর তোমার উপড়ে অভিমান করতে ইচ্ছে করছে। ঝুম অভিমান ,কালবৈশাখীর মত সব কিছু উড়িয়ে নেবার মত অভিমান। সে অধিকার বোধ হয় আজ আমার নেই। অধিকার হারিয়ে অধিকার ধরে রাখার মত বিড়ম্বনা বোধহয় আর কিছু নেই। এতটা আত্মসম্মানবোধহীন এখনো হতে পারিনি। যেদিন পারব, সেদিন সত্যি সত্যি অভিমান করব। নির্লজ্জতা কে পুঁজি করে তোমাকে আবার চাইব।

কেমন আছে তোমার হৃদিতা? আমার এখনো জানতে ইচ্ছে করে কি করে তুমি ফিরে পেলে তোমার প্রথম প্রেম? তোমাদের দুজনকে সেদিন এক সাথে দেখলাম। ওর পরনের গোলাপী শাড়িটা সুন্দর। কেন যেন মন হল , ওটা তোমার পছন্দের । আমার জন্য রেখেছিলে নীল, ওর জন্য হয়ত গোলাপী। নীল রঙে কখনো-ই আমাকে মানাত না। বহুবার তোমাকে বলেছি নীলে আমাকে কালো লাগে। তুমি শুনতে না। বলতে,  আমার কৃষ্ণকলি কে যে কোন রঙেই মানায়। তোমার সাথে যুক্তিতে জেতা যায় কিন্তু আবেগের কাছে আমি যে দুর্বল সে তুমি ভাল করেই জানতে, তাই যুক্তিটুক্তির ধার ধারতে না, আমার দুর্বলার সুযোগ নিয়ে নিজের টুকু আদায় করে নিতে।

সেবার তোমার দেয়া নীল জামদানিতে নীরবের খিচুরির দাগ লেগে গেল। কত যুদ্ধ করে তবেই না সে দাগ তুললাম। কিন্তু শেষমেশ শাড়িটা টিকল না। ওটাও বোধ হয় তোমার মত আমার প্রতি আগ্রহ হারিয়েছিল। ও আমাকে জড়িয়ে ছিল অনেকটা সময়, তাই ওর অকৃতজ্ঞতা কে ক্ষমা করে দিয়েছি।

শোন ,যদি ভাব তোমার প্রতি আমার কোন অভিযোগ আছে, তবে ভুল করবে। এই বিশ্ব বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের খুব ক্ষুদ্র একটা গ্রহে সাতশ কোটি মানুষের ভীরে তোমার আমার গল্পটা এত ক্ষুদ্র যে কোথাও এর কোন প্রভাব পরবে না। তবুও অসংখ্য ঘটনার মাঝে আমাদের একটা সুখের গল্প ছিল। এক চিলতে স্বপ্নের একটা জগৎ ছিল। মোট সাতশ বাষট্টি দিন এর একটা অলিখিত সংসার ছিল। আমাদের জীবনকালের  খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে লেখা থাকবে এই সব দিন রাত্রির পঙ্কতিমালা। তাই অভিযোগের কালি লাগিয়ে সেসব নোংরা করতে মোটেও রাজি নই আমি। দোষ ত্রুটির ঊর্ধ্বে নই তাই তোমার হৃদিতা কে ঈর্ষা করি, কিন্তু অপছন্দ করি না। বরং তোমার ভালবাসায় মেয়েটি নিশ্চই ভাল আছে, তুমিও নিশ্চই প্রথম প্রেমের অতৃপ্তি মিটিয়ে ভাল আছ।

জানি, এই চিঠিটা অন্যগুলোর মত পেপার বাস্কেটে জমা হবে। অবহেলায় কোন ডাস্টবিনে মিশে যাবে। তোমাকে দেবার জন্য চিঠিগুলো যে লিখি না , সে নিশ্চয়ই তুমি এতদিনে অনুমান করে নিয়েছ। তবুও কালি কাগজের অপচয় করে তোমাকে লিখতে ভাল লাগে। নাই বা জানলে তোমাকে ছেড়ে কেমন আছি, কিংবা জীবন আমাকে তুমি বিহীন কেমন রাখছে । আমার অনুভূতি আমার সুখ-দুঃখ ওসব না হয় আমার-ই থাক। অসংখ্য রহস্যের মাঝে আমার এই চিঠিগুলোও রহস্য হয়ে হারিয়ে যাক। পেপার বাস্কেটে -ই জমা হোক না বলা অধ্যায়। আমি ভাল আছি । তুমি ভাল থেক।

 

ইতি

তোমার …… আমি

 

 

 

 

 

You May Also Like..

অরণীর অবেলা….

অরণীর আজ অনেক কাজ। একটা একটা করে লিস্ট করেছে গত দুমাস ধরে।অবশেষে আজ এল সেই দিনটা । স্বভাবতই ওর উচ্ছ্বাসিত […]

নিষিদ্ধ গদ্য…

                মিতুল অনেকক্ষণ ধরে মেঘদেখছে । এই অনেকক্ষণটা কতক্ষণ সেটা জানার তাড়া নেই ওর। অন্য সময় তাড়া থাকে।ঘরে ফেরার তাড়া, স্কুলের তাড়া, কোচিং এর তাড়া, ক্রিকেটের তাড়া, ধলা মন্টু কে মাইর দেবার তাড়া,  আরও কত কি। হিসেব অনুযায়ী আজও ওর তাড়া থাকার কথা। আগামীকাল সম্ভবত কোন একটা টেস্ট আছে।কি টেস্ট ঠিক […]

হ্যালো ?

হ্যালো ? শুনতে পাচ্ছ ? – হুম পাচ্ছি । সিগারেট টানছ ? – হ্যাঁ । তুমি টের পেলে কি করে […]

1 Comment

  1. কৈশোর বয়সে প্রেমে পরেছি বটে তবে তা নিজের চিন্তা চেতনায়, কারো কাছে যে সেটা নিবেদন করতে হয় সে সুযোগটা কখনো আসে নি, ফ্যাল ফ্যাল করে পাশের বাড়ীর মেয়েটির দিকে তাকিয়ে থেকেছি, ক্লাস নাই কি টেন এ পড়ি, এ ভাবেই ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে কলেজের জীবনটাও পার করে দিয়েছি, ঘটনা কিছুই ঘটাতে পারিনি। আমার কৈশোরের প্রেম বলতে যেটা বোঝায় সেট হচ্ছে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা। এখনো ওই ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থেকেই বাকি জীবনটা পার করে দিচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *